
মোসাদের সাথে সম্পর্ক থাকার সন্দেহে ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার এবং নিহত কাসেম সোলাইমানির উত্তরসূরি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানিকে রেভোলিউশনারি গার্ডরা গতকাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ফাঁসির মাধ্যমে। সন্দেহের কারণ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বারবার “অলৌকিক” বেঁচে যেতেন ইসমাইল কানি। সম্প্রতি খামেনি সহ অসংখ্য শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন কিন্তু উনি সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
মোসাদের শিকড় ইরানের বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত কারণ বেশীরভাগ ইরানিরাই চান কট্টরপন্থী সরকারের পতন। কেবলমাত্র ইসমাইল কানির বার্তার ফলেই খামেনি সহ পরিষদের হত্যা করে নি ইজরায়েল। ইরানের থার্মাল পরিক্ষা করেও দেখছিল একটা জায়গা থেকে বেশী গরম হাওয়া বাড় হচ্ছে। মাটির কয়েকশো ফুল নিচে বাঙ্কারে থাকলেও তার হাওয়া বার করতে হয় মাটির উপরে। ৫০-৬০ জন যখন মিটিং করছিলো তখন তার শ্বাসপ্রশ্বাসের গরম হাওয়া স্যাটেলাইটের থার্মাল পরিক্ষায় ধরে নেই ইজরায়েল। এছাড়াও আরো একটা তত্ত্ব সামনে এসেছে, এক দন্ত চিকিৎসক চিকিৎসার সুযোগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাদের দাঁতে চিপ ঢুকিয়ে দেন যাতে তারা ইজরায়েলের নজরে থাকে সবসময়।